বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‎বিজিবির অভিযানে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ৫ টি স্বর্ণের বারসহ আটক ১ ‎ সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ভাঙ্গায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু আবারও আটলিয়ার হাল ধরতে চান ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন: উন্নয়নের ধারা সচল রাখার প্রত্যয় গোপালগঞ্জে তালের পিঠার প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ: প্রধান আসামি ও সহযোগীর যাবজ্জীবন ঝিনাইদহে অনুমোদনহীন পণ্য উৎপাদন ও ওজনে কারচুপি: কসমেটিকস কোম্পানিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা গ্রাম উন্নত হলে দেশ এগিয়ে যাবে, পল্লী উন্নয়নই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি” এমপি বাবুল নদী খননে ভাঙনের আশঙ্কা: ঘটনাস্থল পরিদর্শনে কেশবপুরের ইউএনও, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ বাবু হত্যা মামলা: দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার তিন নেতা প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতির সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল; স্টাফ রিপোর্টার:সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণা, পাওনা অর্থ আটকে রাখা এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন কোম্পানির এক পরিবেশক (ডিলার)।

অভিযোগকারী দেবাশীষ দাস যশোর শহরের রেল রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০১৯ সাল থেকে তিনি সেভয় আইসক্রিম কোম্পানির যশোর সদর ও বাঘারপাড়া উপজেলার পরিবেশক হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে গত ৭ জুন তিনি কোম্পানির জিএম (সেলস) বরাবর আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে সমস্যার সমাধান হওয়ায় ২৪ জুন ওই আবেদন প্রত্যাহারের জন্য পুনরায় লিখিতভাবে জানান। তবে এ বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত তাকে জানানো হয়নি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২৫ জুন খুলনা অঞ্চলের আর এস এম জাকারিয়া বিপুল ও এ এস এম আসাদুজ্জামান মিল্টনের নির্দেশে তিনি কোম্পানির হিসাবে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা জমা দেন এবং জমার প্রমাণ হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। কিন্তু একই দিন রাতে তাকে একটি চিঠির ছবি পাঠিয়ে জানানো হয়, ২৫ জুন তার ডিলারশিপের কার্যক্রম শেষ হবে এবং ২৬ জুন থেকে তার পরিবেশক কোড বন্ধ করে দেওয়া হবে।
দেবাশীষ দাসের দাবি, যদি ২৫ জুনই তার শেষ কার্যদিবস হয়ে থাকে, তাহলে ওই দিন কেন তার কাছ থেকে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকার পণ্য ক্রয় করানো হলো। তিনি এটিকে পরিকল্পিত প্রতারণা বলে অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে কোম্পানির কাছে তার প্রায় ১০ লাখ টাকার পণ্য পাওনা রয়েছে।তিনি আরো জানান তার মার্কেটে প্রায় ৩০ লাখ টাকা বাকিরয়েছে হঠাৎ ডিলারশীপ চলে গেলে এই টাকা আর মার্কেট থেকে তুলতে পারবে না যার কারনে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির হবে। এছাড়া যথাযথ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে তার পরিবর্তে নতুন পরিবেশক নিয়োগের চেষ্টা চলছে। অভিযোগে আরএসএম ও এএসএমের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তিনি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews