মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে তালের পিঠার প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ: প্রধান আসামি ও সহযোগীর যাবজ্জীবন ঝিনাইদহে অনুমোদনহীন পণ্য উৎপাদন ও ওজনে কারচুপি: কসমেটিকস কোম্পানিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা গ্রাম উন্নত হলে দেশ এগিয়ে যাবে, পল্লী উন্নয়নই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি” এমপি বাবুল নদী খননে ভাঙনের আশঙ্কা: ঘটনাস্থল পরিদর্শনে কেশবপুরের ইউএনও, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ বাবু হত্যা মামলা: দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার তিন নেতা প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতির সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে জুয়েলারি ব্যবসায়ী চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় হামলার শিকার নিষিদ্ধ মৌসুমে সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে চলছে হরিলুট মণিরামপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন ‎মণিরামপুরে মৎস চাষে প্রযুক্তি সেবার আওতায় বিভিন্ন উপকরন বিতরণ

নদী খননে ভাঙনের আশঙ্কা: ঘটনাস্থল পরিদর্শনে কেশবপুরের ইউএনও, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:যশোরের কেশবপুর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় নদী খননকাজ চলাকালে তীব্র ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কারণে প্রায় ৪ থেকে ৫টি বসতবাড়ি ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন।

সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইউএনও ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কথা শোনেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে তিনি চলমান বর্ষা মৌসুম ও টানা বৃষ্টিপাতের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেন। তিনি নদী খননকাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ অংশে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক কাজ সম্পন্ন করার ওপর জোর দেন, যাতে নতুন করে কোনো বাড়িঘর, ফসলি জমি বা স্থানীয় অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি না হয়।

ইউএনও রেকসোনা খাতুন বলেন, মানুষের জানমাল রক্ষাই প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার। তাই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে বর্ষার মধ্যে ভাঙনের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদী খনন শুরু হওয়ার পর থেকেই কয়েকটি স্থানে মাটি ধসে পড়ছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী কয়েকটি বসতবাড়ি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তারা দ্রুত স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক তৎপরতা এবং ইউএনও রেকসোনা খাতুনের সরেজমিন উপস্থিতি ও আন্তরিক উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তাদের আশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে এনে ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews