বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

সেনাবাহিনীর খননকৃত মাটি রাতের আঁধারে অবৈধ বিক্রি: কেশবপুরে মোবাইল কোর্টে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

কেশবপুর যশোর: যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের সন্ন্যাসগাছা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় সেনাবাহিনী কর্তৃক খননকৃত মাটি রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ০২ জুন ২০২৬ (মঙ্গলবার) রাত প্রায় ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ন্যাসগাছা ব্রিজের কাছে অভিযান পরিচালনা করেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেকসোনা খাতুন। এ সময় সেনাবাহিনী কর্তৃক উন্নয়নমূলক কাজে খননকৃত মাটি অবৈধভাবে বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযান চলাকালে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বাসিন্দা মুক্তার গাজীকে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে তাকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন জানান, সরকারি সম্পদ ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে ব্যবহৃত মাটি অবৈধভাবে বিক্রি বা অপসারণের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। জনস্বার্থবিরোধী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন স্থানে মাটি কেটে ও বিক্রি করে সরকারি সম্পদের ক্ষতি করা হচ্ছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ পদক্ষেপ অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।
প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ মাটি কাটা ও বিক্রির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews