বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

কেশবপুরের তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

আবুজার গিফারী (স্টাফ রিপোর্টার):যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দিনে ও রাতের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে বেশিরভাগ এলাকা।

স্থানীয়রা জানান, দিন-রাতে মিলিয়ে ৬-৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার ঘটনা প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে এখানে। কখনো বিদ্যুৎ এলেও তা ৪৫-১ ঘন্টার বেশি স্থায়ী হয় না। ফলে ঘরোয়া কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য- সবখানেই বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীরা।
উপজেলার বেতীখোলা গ্রামের বাসিন্দা ওলিয়ার রহমান বলেন, আগে বিদ্যুতের সেবা মোটামুটি ভালো ছিল। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। কয়েকদিন ধরে টানা বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাস্তবে দিনে ১২ ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ থাকে না।
দাখিল পরীক্ষার্থী নাজমুল হোসেন জানায়, আমাদের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে । কিন্তু গত দুই মাস ধরে বিদ্যুতের সমস্যা এতটাই বেশি যে সন্ধ্যার পর পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে অন্তত এক-দুই ঘণ্টা টানা বিদ্যুৎ থাকলেও কিছুটা প্রস্তুতি নিতে পারতাম।
একই ধরনের অভিযোগ করেন নারায়পুর গ্রামের লিমন হোসেন ইউনিয়নের কৃষক দলের সভাপতি । তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক। গত এক মাস ধরে দিনের বেলায় তো বিদ্যুৎ থাকেই না, সন্ধ্যার পরও ক্ষণিকের জন্য এসে আবার চলে যায়। শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমার এলাকায়।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ লাইনে বা ট্রান্সফরমারে সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয় না। অভিযোগ কেন্দ্রে যোগাযোগ করেও তাৎক্ষণিক সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হয়। এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়ন ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।,
এদিকে, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষও বিদ্যুতের এ সমস্যার কথা স্বীকার করছে। পাঁজিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ বলেন, শুধু পাজিয়া সাব স্টেশনের আন্ডারে গ্রাহকরা নয়, পুরো কেশবপুর অঞ্চলে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বর্তমানে গড়ে ৪০-৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে ৫৫-৬০ শতাংশ সময় লোডশেডিংয়েই থাকতে হচ্ছে। এছাড়া, বিকল্প উপায় নেই। তিনি আরও বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় দ্রুত সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না, যার ফলে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews