বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্যামনগরে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণে কর্মশালা ভাঙ্গায় গাছের চারা বিতরণ করল সাজেদা ফাউন্ডেশন সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

কলাকান্ডে বহিষ্কৃত বহুল আলোচিত যশোর জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আলমগীর স্বপদে বহালের জন্য দৌড়ঝাঁপ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি:কলাকান্ডে বহিষ্কৃত বহুল আলোচিত যশোর জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী আলমগীর হোসেন স্বপদে বহালের জন্য বিভিন্নমহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। আট মাস আগে গণশুনানিতে দুদকের কমিশনার প্রত্যক্ষ স্বাক্ষীর স্বীকারোক্তিতে দুর্নীতিবাজ আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের সত্যতা মেলায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার আদেশ দেন। এবারই তিনি নতুন করে দুর্নীতির দায়ে বহিষ্কৃত হননি। এর আগেও তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ আসলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং নড়াইল থেকে বদলী করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বহু দেনদরবার করে সে যাত্রায় তিনি রক্ষা পান। ৮ মাস যেতে না যেতেই তিনি নানা ফন্দি ফিকির করছেন স্বপদে বহালের জন্য। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে দুর্নীতির এ মহানায়ক রাষ্ট্রের সম্পদ অবৈধ অর্থ লেনদেন এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। নামে বেনামে রয়েছে তৈরি করেছেন অঢেল সম্পদ কিন্তু তিনি ইসলামী লেবাস ধারণ করে পাঞ্জাবি, পায়জামা ও দাঁড়ি রেখে একজন সূফীর রূপ ধারণ করে সহজেই মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হন ধুরন্ধর এ দুর্নীতির মহানায়ক। তিনি উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে দিতেও সিদ্ধহস্ত।

জানা যায়, তিনি চৌগাছা উপজেলা সদরে হলদি বাজারে জেলা পরিষদের জায়গা কোন রকম সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালামের ছোট ছেলেকে অলিখিত অগ্রিম ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে মাসিক ভাড়ায় একটি গার্মেন্টসের দোকান করার অনুমতি দেয়। এছাড়া ঐ জায়গায় আরো ৫/৭টি ছোট বড় দোকান ৫০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে মাসিক ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা ভাড়া চুক্তিতে মৌখিক বরাদ্দ দেন। চৌগাছা হাইস্কুল রোডেও ৫ আগস্টের পর প্রায় ৪০টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতি দোকান প্রতি তাকে ৫০ হাজার টাকা থেকে এক লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে ঐ দোকান বরাদ্দ দেন। নাম গোপন রাখার শর্তে দোকান বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই জানান, সুচতুর দাঁড়িওয়ালা আলমগীর আল্লাহর ওলী সেজে আমাদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে দোকান বরাদ্দ দিয়েছেন। এ প্রতিবেদক তাদের কাছে জানতে চান কেন আপনারা তাকে ঘুষ দিয়েছেন। প্রতি উত্তরে তারা বলেন, বৈধভাবে আবেদন করেও মাসের পর মাস ঘুরতে হয়েছে। অবশেষে তার সাথে চুক্তি মোতাবেক ঘুষের টাকা দিয়েই দোকান বরাদ্দ পেয়েছি। হলদি বাজারের জমি বরাদ্দের জন্য তার কাছে গেলে অবাইদুর নামক এক ব্যক্তির কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেন ঘুষখোর আলমগীর।
কিছুদিন বহিষ্কৃত থাকার পর আবার তিনি নড়াচড়া দিয়ে উঠেছেন। ঘুষখোর দুর্নীতির মহানায়ক আলমগীর বলেন, আমাকে আমার জায়গায় যেতে হলে বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম শাহীনকে তার ঐ পথ থেকে সরাতে হবে। তাকে সরাতে না পারলে আমি আমার জায়গায় বসতে পারবো না। জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে সরাতে বড় মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন। গোপনে রেকর্ড করা এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ১০ লাখ লাগলে লাগবে, আমি আমি শাহীন স্যারকে সরাতে পারলে আমার অব্যাহতি উঠে যাবে এবং ঐ চেয়ারে বসে এক মাসের মধ্যে ঐ ১০ লাখ টাকা উঠিয়ে ফেলবো।

চলবে—

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews