বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

সাতমাইল পশু হাটে ইজারা বাধাগ্রস্ত, কোটি টাকার রাজস্ব ঝুঁকিতে

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৫৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি :দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট যশোরের সাতমাইল পশু হাট ঘিরে ইজারা প্রক্রিয়ায় বাধা, ইজারাবিহীন পরিচালনা এবং লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আবারও সামনে এসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে—দীর্ঘদিন ধরে হাটটি কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে প্রভাবশালী একটি চক্র, আর সরকারি কোষাগারে জমা পড়ছে আয়ের সামান্য অংশ।

বাগআঁচড়ার সাতমাইল পশু হাটের ইজারার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলেও সাধারণ ব্যবসায়ীদের শিডিউল কিনতে দেওয়া হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশপাশে অবস্থান নিয়ে বহিরাগত ইজারাদারদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফলে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।কয়েকজন সম্ভাব্য ইজারাদার দাবি করেছেন, তারা শিডিউল সংগ্রহে আগ্রহী হলেও “পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায়” পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

অথচ পূর্ববর্তী বছরগুলোতে এই হাটের ইজারা ডাক ছিল কয়েক কোটি টাকা। সম্ভাব্য আয় বৃদ্ধির পরও দরপত্রে অনাগ্রহ এবং একই সঙ্গে শিডিউল বিক্রিতে বাধার অভিযোগ—দুটি বিষয় একসঙ্গে সামনে আসায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাটের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন এসেছে বলেও স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। তবে আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ করা হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে অস্পষ্টতা থাকায় পুরো বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত এবং উচ্চতর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—ইজারা ছাড়া কোটি টাকার একটি হাট কীভাবে দীর্ঘদিন পরিচালিত হয়, প্রকৃত আয় কত এবং সরকার ঠিক কত রাজস্ব হারিয়েছে? এই প্রশ্নগুলোর নিরপেক্ষ উত্তর মিলবে কি? নাকি সাতমাইল পশু হাট দখল-সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণেই থেকে যাবে—এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews