বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

আমন ধানের বাম্পার ফলনে ডুমুরিয়ার কৃষকের মুখে হাসি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫৯০ বার পড়া হয়েছে

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা) “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ”—এই কথাটিই যেন আবার সত্য প্রমাণ করলেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার পরিশ্রমী কৃষকরা। চলতি মৌসুমে উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে লেগেছে হাসি।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সবুজে মোড়া মাঠের পর মাঠ যেখানে চোখ রাখি সেখানেই ধানগাছের ঢেউ। কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি আর মনে আশার আলো। খর্নিয়া ইউনিয়নের কৃষক নুরুল ইসলাম জানান, “বর্ষা মৌসুমে ধান চাষে সেচ কম লাগে, তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ কিছুটা বেশি হয়। কীটনাশক ও সারের দাম বেড়েছে, তবু ফলন ভালো হওয়ায় এবার ধান চাষে লাভবান হব বলে আশা করছি।”
শোভনা ইউনিয়নের কৃষক মো. আবুল কালাম বলেন, “আমি ব্রি ধান ৭৫ জাতের ধান লাগিয়েছি। বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২২ মণ ধান পাব বলে আশা করছি।” রুদাঘরা ইউনিয়নের কৃষক কায়সার আলী জানান, “আমি এবার নতুন ব্রি ধান ১০৩ চাষ করেছি। সব ঠিক থাকলে বিঘাপ্রতি ২৮ থেকে ৩২ মণ পর্যন্ত ফলন হবে বলে আশা করছি। তবে সার ও শ্রমিকের দাম অনেক বেড়েছে। এখন ধান কাটতে একজন শ্রমিককে ৭০০-৮০০ টাকা দিতে হচ্ছে, তবুও শ্রমিক পাওয়া কঠিন।”
ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আমি ব্রি ধান ৪৯ জাতের ধান চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। এক বিঘা জমিতে ২৮-৩০ মণ ধান উৎপাদন হবে বলে ধারণা করছি।”
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন জানান,“চলতি মৌসুমে উপজেলায় 14 হাজার ৯৩৯ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি ধান ৪৯, ৭৫, ৮৭, বিনা ধান ১৭ এবং নতুন ব্রি ধান ১০৩ সহ বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে। কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলন আশানুরূপ হওয়ায় কৃষকরা সন্তুষ্ট।”
খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ বছর অনুকূল আবহাওয়া ও কীটপতঙ্গের তেমন কোনো আক্রমণ না থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে চাষ হয়েছে এবং ফলনও বেড়েছে। বাম্পার ফলনে কৃষকরা অত্যন্ত খুশি। আবহাওয়া ও বাজারদর অনুকূলে থাকলে তারা প্রত্যাশিত লাভবান হবেন।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews