বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

যশোরে মঈনুদ্দিন হত্যা মামলায়  মা-ছেলেকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
যশোর অফিস: যশোর সদর উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের মইনুদ্দিন হত্যা মামলায় মা-ছেলেকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় এজাহারনামীয় অপর ৪ আসামির অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম।
অভিযুক্ত আসামিরা হলো, ডাকাতিয়া গ্রামের পূর্বপাড়ার আব্দুল মজিদ মোল্যার স্ত্রী আলেয়া বেগম ও ছেলে আশিক হোসেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে,মঈনুদ্দিন রাজমিস্ত্রির কাজ করে জীবীকা নির্বাহ করতেন। আসামিদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল মঈনুদ্দিনের। চলতি বছরের ১ জুন মঈনুদ্দিনের ভাইপো সাগরকে পেয়ে আসামি আশিক ও সজিব গালিগালাজ ও মারধর করে। পরে ঈদের ছুটিতে জমির হোসেন তার ছেলেকে মারপিট কারণ জানতে চান আশিক ও মাজিদের কাছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এর জের ধরে ৯ জুন দুপুর ২টার দিকে জামির হোসেন স্থানীয় মচে মোল্যার লিচু বাগানে বসে ছিলেন। এ সংবাদ জানতে পেরে আসামি আশিক, সজিব, জসিম, ফারুক ও অন্যরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জমিরকে ছুরিকাঘে গুরুতর জখম করে। জমিরের চিৎকারে তার ভাই মঈনুদ্দিন ঘটনাস্থলে আসলে তাকেও ছুরিকাঘাতে জখম করে। গুরুতর আহত অবস্থায় জমির ও মঈনুদ্দিনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মঈনুদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘনায় নিহত মঈনুদ্দিনের স্ত্রী আসমা খাতুন বাদী হয়ে ৬ জনের নামউল্লেখ করে কোতয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।
এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় আশিক ও তার মা আলেয়াকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পায়ায় সজিব,মজিদ মোল্যা, জসিম,ফারুকের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে। চার্জশিটে অভিযুক্ত আশিক ও তার মা আলেয়া বেগমকে আটক দেখানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews