বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

ডুমুরিয়ারচুকনগর ও খর্ণিয়া বাজারের ডিপো-বরফ ফ্যাক্টরিতে অভিযান-জরিমানা!

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা : ডুমুরিয়া উপজেলায় বৃহস্পতিবার বিকেলে”মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮৩” অনুযায়ী লাইসেন্সবিহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত বরফ ফ্যাক্টরি ও মাছের ডিপোগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

লাইসেন্স না থাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বরফ ফ্যাক্টরি ও ডিপো পরিচালনার অভিযোগে চুকনগর বাজারের সামাদ শেখ আইস ফ্যাক্টরিকে ২০০০ টাকা, চুকনগর আইস ফ্যাক্টরিকে ২০০০ টাকা, মেসার্স মায়ের দোয়া ফিস কে ১০০০ টাকা এবং খর্ণিয়া বাজারের মেসার্স নুপুর ফিসকে ১০০০ টাকা ও মেসার্স রায়হান ফিসকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে এসব ডিপোতে কোন পুশকৃত চিংড়ি পাওয়া যায়নি।

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাশ ও আশিকুর রহমান, ক্ষেত্র সহকারী কে এম মহসিন আলম এবং অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল্লাহ।

খুলনা বিভাগের সম্মানিত ডাইরেক্টর জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব মোঃ বদরুজ্জামান মহোদয়ের নির্দেশে পরিচালিত এই অভিযানে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান জানান, “ এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স করার জন্য বারবার তাগেদা দেয়া হয়েছে । কিন্তু তারা লাইসেন্স না করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। এছাড়া, জনস্বাস্থ্য রক্ষা, নিরাপদ মৎস্য বিপণন নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এবং মানসম্মত ডিপো ও বরফ কল পরিচালনায় মালিকদের উৎসাহিত করছি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews