বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলের উদ্যোগে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বর্ণাঢ্য প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার ওপর জোর, গোপালগঞ্জে পুলিশের ব্রিফিং উপশাখা ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন পাঁজিয়া উপশাখা ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে ৭ লক্ষ টাকার গাঁজা ও অবৈধ মালামালসহ আটক-২ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ল্যাগেজ বাণিজ্যে: নেপথ্যে কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট যশোরে যুবককে মারধর ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল থেকে দুইজন আটক ভামিয়া বনবিবিতলা গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

মাগুরায় ডুমিরশিয়া ডিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ!

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫
  • ৩২৮ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের ডুমুরশিয়া ডি.সি. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ লিপি খাতুন এবং বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী (ক্লার্ক) মাসুদ মোল্লার বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ ও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর অনিয়মের তথ্য।
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে থাকা ৯টি দোকানের ভাড়ার টাকা ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করছেন প্রধান শিক্ষক যা বিদ্যালয়ের কোনো ফান্ডে জমা দেওয়া
হয়নি।
এছাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে পাওয়া ৫ লক্ষ টাকার প্রকল্পেরও কোনো কার্যকারিতা নেই। প্রকল্পের টাকা কোথায় বা কিভাবে তা ব্যয় হয়েছে তার কোনো হিসাব-নিকাশও নেই।

এছাড়া বিদ্যালয়ের পুকুর ইজারা বাবদ প্রায় ২ লক্ষ টাকা আয় হলেও তার কোনো রসিদ বা টেন্ডারের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। অর্থাৎ পুরো টাকাটাই গায়েব!

সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে, বিদ্যালয়ে “সততা স্টোর” নামে একটি দোকান থাকার দাবি করলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব নেই। অথচ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ১০ টাকা করে খাতা বিক্রি করা হচ্ছে, যার প্রমাণ ভিডিওসহ পেয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।
এক ভিডিও ফুটেজে প্রধান শিক্ষক নিজেই বলেছেন, “আমার সততা স্টোর আছে।” কিন্তু মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধানে তার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা বলছেন, এ যেন পুরো পুকুর চুরি!একজন অফিস সহকারী ক্লার্ক মাসুদ মোল্লা আর প্রধান শিক্ষক লিপি খাতুনের নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি যেন দুর্নীতির আখড়া হয়ে উঠেছে। প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে খাতা না কিনলে অন্যদের খাতা ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়।
এই প্রধান শিক্ষকের সাথে অফিস সহকারী মাসুদ মোল্লার অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলে গুঞ্জন চলছে।

এ বিষয়ে মাগুরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews