বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শায় নিখোঁজ যুবক ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে দূর্বাডাঙ্গায় পুলিশের কঠোর বার্তা গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা, ২৪ ঘণ্টা সাইবার নজরদারি খুলনাবাসী একটি বিপদের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন — মজ্ঞু বাঁকড়া বাজারে যানজট, সড়কের অর্ধেক দখলে থাকে যানবাহন কেশবপুরের পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইকবাল পুলিশের হাতে আটক। আবারও বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে দেশসেরা যবিপ্রবি বেনাপোল স্থলবন্দর আকস্মিক পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদ ও কারাদণ্ড: নগরকান্দায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসনঃ যশোরে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

প্রতি মাসে কোটি টাকা ঘুষ আদায়,সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব যশোর বিএসটিআই অফিস ঘুষ দূর্নীতির আখড়ায় পরিনত

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে
 যশোর অফিস : যশোর বি এস টি আই এর উপ-পরিচালক (প্রকৌশলী) আসলাম শেখ এর নেতৃত্বে চলছে ঘুষ দূর্নীতির মহোৎসব । প্রতিমাসে অবৈধভাবে প্রায় কোটি টাকা ঘুষ আদায় করছে দূর্নীবাজ এ উপ-পরিচালক। তার এই বিপুল পরিমান ঘুষ আদায়ের বিষয়টি উর্ধতন কতৃপক্ষ অবহিত থাকলেও কারো যেন কিছুই করার নেই বিশেষ ক্ষমতাধর‌ ধুরন্ধর এই উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার।
 সূত্র জানায় আসলাম শেখ যশোর বিএসটি আই অফিসে যোগদান করার পর থেকে ফ্রী-ষ্টাইলে ঘুষ আদায় করছেন। সরকার বিএসটি আই পরীক্ষাগারে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য ,ক্যামিক্যাল সহ ৩১৫ টি পন্য রাসায়নিক পরীক্ষার অন্তরভূক্ত করেছে। যার সিংহ ভাগ পন্য বি এস টি আই থেকে রাসায়নিক পরীক্ষা বা গুনগত মান পরীক্ষা হয়ে থাকে। এ ছাড়া বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য রাসায়নিকসহ ৩১৫টি পন্যের ছোট-বড় সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানের বি এস টি আই থেকে লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়। গ্রাহকদের লাইসেন্স সংগ্রহ করতে ঐ দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে গুনতে হয় মোটা অংকের ঘুষ। রাসায়নিক পরীক্ষা বা গুনগত মান পরীক্ষা কালে ঐ কর্তার চাহিদা মোতাবেক ঘুষ না দিলে মেলে না রাসায়নিক বা গুনগত মান পরীক্ষার রিপোর্ট। দেশের বৃহত্তর স্থল বন্দর বেনাপোলে আমদানি হয়ে থাকে খাদ্যদ্রব্য,ক্যামিক্যাল সহ বিভিন্ন ধরনের পন্য। আমদানীকৃত পন্যের বেশীরভাগ পন্য বেনাপোল কাস্টমস হাউজে থেকে রাসায়নিক গুনগত মান পরীক্ষার জন্য বিএস টি আইতে পাঠানো হয়। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দূর্নীতিবাজ ঐ কর্মকর্তা বড় অংকের ঘুষ আদায় করে থাকে। এক একটি পন্যের রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য ৫০ হাজার থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করে থাকে। আমদানী কারকের প্রতিনিধির সাথে কথা বলে জানা যায় টাকা না দিলে রিপোর্ট মেলে না তার কাছ থেকে। এছাড়া আমদানীকৃত পন্যের রিপোর্টের গড়মিলের ভয় দেখিয়ে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। টাকা নিয়ে পন্যের গুনগত মান ভিন্নতর থাকলেও আমদানী কারকের/গ্রাহকের চাহিদা মোতাবেক রিপোর্ট সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এতে সরকারী শুল্কের (এইচ এস কোডের) হেরফের ঘটে। যার ফলে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ অফিসের একজন সহকারী কর্মকর্তা জানান দূর্নীতিবাজ উপ-পরিচালক প্রতিদিন ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ বানিজ্য করে নিজ পকেটস্থ করেন । এ হিসাবে মাসে গড়ে ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা ঘুষ আদায় করছে। এসব খবর উর্ধতন মহল জানেন কি? বললে তিনি বলেন উর্ধতন অনেক কর্মকর্তা জানলেও অজানা কারনে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নিতে সাহস পায়না।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews