বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা!

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

এস এম তাজাম্মুল,মণিরামপুরঃ যে কোন সময় ধ্বংসে পড়তে পারে ২০২০-২১ অর্থ বছরে সরকারি বরাদ্দে নির্মিত মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ৩ তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবনের শ্রেণীকক্ষ। প্রায় ১মসা ঝুকিপূর্ণ ভাবে পাঠদান চলাকালীন সময়ে যশোর জেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর লিখিত ভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও এ পর্যন্ত কোন ধরনের ভ্রুক্ষেপ না করে বিষয়টি অবহেলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে ঝুকিপূর্ণ ঐ ভবন পরিদর্শন করে সরেজমিনে জানমালের নিরাপত্তা ও জীবনের ঝুকি বিবেচনায় ঐ ভবনে পাঠদান বন্ধ করে সমস্ত জিনিসপত্র স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন, মণিরামপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন। এদিকে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ মহিব্বুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, তাদের এসব দেখার জন্য হয়তো সময় নাই!
‎তথ্য আছে, ১৯৭৪ইং সালে প্রতিষ্ঠিত মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার এমপিও ভুক্তকরনের পর ২০১২ তৎকালীন এমপি মরহুম এড খান টিপু সুলতান বহুতল(৪তলা) ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করেন। এরপর গত ২০২০/২১ অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত প্রকল্পে ৩য় তলার কাজ বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর। অর্থাৎ নতুন ভবন নির্মানের মাত্র ৫ বছরের মাথায় ফাজিল মাদ্রাসার পাঠদান চলমান অবস্থায় চলতি মাসের শুরুতেই পেছনের দিকে ফাটলের কয়েকটি উপস্বর্গ
‎দেখা দিলে ১৪ই সেপ্টেঃ যশোর জেলা শিক্ষা প্রকৌশলীকে মাধ্যম করে বাংলাদেশ শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের কাছে সমাধানকল্পে আবেদন করেন অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল্লাহ।
‎এ নিয়ে বাংলাদেশ শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর কোন স্বক্রিয়তা না দেখালেও সময়ের সাথে সাথে হরিহর নদের গর্ভের টানে একে একে ৫০টির অধিক ছোট বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। যত সময় যাচ্ছে ফাটল ও দেওয়ালে চিড় এক অংশ হতে অন্য অংশে বিস্তৃতি ওঠাচ্ছে।পেছনের বাথরুমটি দক্ষিন দিকে হেলে পড়েছে। প্রতিটি শ্রেনী কক্ষের মেঝো ও দেওয়ালের গাঁথুনীর মাঝে ২/৩ ইঞ্চি ফাঁকা হয়ে গেছে। এমনকি ভবনে প্রবেশদ্বারে মাটির মাঝামাঝি লম্বা এলাকাজুড়ে ফাটল শুরু হয়েছে যে ফাটলের পরিধি নতুন ভবনের সাথে সংযুক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার(২২শে সেপ্টঃ) অতিরিক্ত ফাটল দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করলে সহকারি কমিশনার ভূমি মাহির দায়ান আমিন মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিনে ভবনের ফাটলের দৃশ্য ও একাডেমিক ভবন পাঠদানের অযোগ্য ব্যাখ্যা দিয়ে ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। এ বিষয়ে জানতে মণিরামপুর উপজেলার দায়িত্বে থাকা শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর যশোরের উপ-সহকারি প্রকৌশলী(সিভিল) আনোয়ার জাহিদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমরা ভবনটি পরিদর্শন করেছি,বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, ভবনের ২০১২ সালের নির্মানকৃত ভিতের উপর নতুন ভবনের ব্রিক ওয়ালে ফাটল ধরেছে। ঝুকিপূর্ণ বিবেচনায় আগামি ২/১ দিনের মধ্য একটি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী টিম পরিদর্শন করার পর বাকিটা জানা যাবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews