বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

যশোরে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের তিন সদস্য আটক

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন শহরের শংকরপুর এলাকার রাজা এবং তাঁর দুই সহযোগী বৃষ্টি ও জারা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নড়াইলের কালিয়া উপজেলার এক যুবক ফেসবুকে ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন। বিজ্ঞাপন দেখে রাজা ওই যুবকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ল্যাপটপটি বিক্রির জন্য তাঁকে যশোরে আসতে বলেন। ওই যুবক ল্যাপটপ নিয়ে যশোরে এলে রাজা তাঁকে একটি ঘরে নিয়ে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ।
অভিযোগ রয়েছে, সেখানে বৃষ্টি ও জারাকে ব্যবহার করে ওই যুবকের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তোলা হয়। পরে এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও ল্যাপটপ নিয়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফোন করে টাকা আদায় করা হয়। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে ওই যুবককে উদ্ধার করে থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানার এসআই আল আমিন তদন্ত শুরু করেন। তদন্তের একপর্যায়ে শনিবার রাতে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে রাজাকে আটক করা হয়। পরে একই স্থান থেকে বৃষ্টি ও জারাকেও আটক করা হয়।
এসআই আল আমিন বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবক থানায় মামলা করবেন। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের ভাষ্য, চক্রটি নারীদের ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে ফাঁদে ফেলত। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নেওয়া হতো। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে এবং এর আগেও তাঁরা আটক হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews