বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

ছেলের এক্সিডেন্ট বলে সাংবাদিকের কাছ থেকে নগদে টাকা হাতিয়ে নিলো চক্র

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরায় ছেলের সড়ক দুর্ঘটনার মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারক চক্র সাংবাদিকের কাছ থেকে নগদের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও বেসিক নিউজ ২৪ এর সম্পাদক আকরাম হোসেন ইকরাম।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই মাগরিবের নামাজের পর তার মোবাইলে অজ্ঞাত একটি নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনে বলা হয়, “আপনার ছেলে রাস্তা পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। রাস্তার লোকজন তাকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে এসেছে। আমি ডা. রাকিব বলছি। এখনই দুই ব্যাগ রক্ত লাগবে।”

একই সময় কলার ব্লাড ব্যাংকের জন্য নগদ নম্বর 01983-696246 দেয়। আতঙ্কিত হয়ে ইকরাম ওই নম্বরে প্রথমে ৩৫০ টাকা পাঠান। এর কিছুক্ষণ পর আবার ফোন করে ইনজেকশনের জন্য ১০০০ টাকা দাবি করা হয়। তিনিও সেই টাকা পাঠান।

পরে বিষয়টি সন্দেহ হলে তিনি মাগুরা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক ও বাল্যবন্ধু খায়রুল ইসলাম সবুজের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সবুজ মাইক্রোবাস থামিয়ে ওই নম্বরে ফোন দিয়ে নিশ্চিত হন এটি প্রতারক চক্র।

এ বিষয়ে মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সাহেব আলী বলেন, “ইকরাম ভাই সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমাকে ফোন করে বলেন, ভাই আমার সর্বনাশ হয়ে গেছে। পরে সবুজ ভাই বিষয়টি যাচাই করে জানান এরা প্রতারক। আমরা এখন থানায় জিডি করতে যাচ্ছি।”

প্রতারক চক্র দুটি নম্বর ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে: 01983-696846 এবং 01937-425983। ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত এই নম্বরগুলোর বিস্তারিত তথ্য বের করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তা চেয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে পুলিশ সবার প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেলে প্রথমে স্বজনদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে তারা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews