বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

মহেশপুর পৌরসভার প্রকৌশলীকে ম্যানেজ নকশা জালিয়াতি, রাস্তা দখল করে চলছে ভবন নির্মাণ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভায় ভুয়া তথ্য দিয়ে প্রকৌশলীকে ম্যানেজ করে ভবন নির্মানের নকশা অনুমোদনের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে নকশা জালিয়াতির প্রমাণ মিললেও অদৃশ্য কারণে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ। উল্টো কাজে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে নির্বাহী প্রকৌশলী সোহেল রানার বিরুদ্ধে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২১ সালে মহেশপুরে পৌরসভার পশু হাসপাতাল পাড়ার সাহাবুদ্দিন মহুরি ও তার স্ত্রীর কাছ থেকে ৪ দশমিক ৪৫ শতক জমি ক্রয় করে রাজিয়া খাতুন নামের এক নারী। ৭ ফুট প্রশস্ত রাস্তা সংরক্ষিত থাকার কথা ছিলো দলিলে।
অভিযোগ রয়েছে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সোহেল রানাকে ঘুষ দিয়ে দলিলে উল্লেখিত তথ্য গোপন করে নকশা অনুমোদন করে সাহাবুদ্দিন মহুরি। ৭ ফুট রাস্তার ৪ ফুট দখল করে ঘর নির্মাণ শুরু করে তারা। এ নিয়ে রাজিয়া আক্তার পৌরসভায় অভিযোগ দিলে তদন্তে এই নকশা জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসে। সেই থেকে এখন পর্যন্ত কয়েক দফা অভিযোগ দিলেও পৌর কর্তৃপক্ষ সেই ভবন নির্মাণ বন্ধ করেনি। এমনকি নির্বাহৗ প্রকৌশলী সোহেল রানা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এখন সেই ভবন তৈরীতে সযোগীতা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী রাজিয়া খাতুন বলেন, আমি বার বার পৌরসভার অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু তাতে কোন ফল আসেনি। কয়েকবার শালিসী বৈঠকে ভবনের রাস্তার অংশ অপসারণের কথা হলেও সেই শালিসের সিন্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি। মুলত নির্বাহী প্রকৌশলী ঘুষ নিয়ে ভবন অপসারণ করছে না উল্টো অভিযোগ থাকা স্বত্বেও কাজ করার অনুমতি নিয়েছে।
রাস্তা দখলকরে ভবন নির্মাণের বিষয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পাওয়া যায়নি দখলদার সাহাবুদ্দিনকে। পরে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেন নি।
অভিযোগের ব্যাপারে নির্বাহৗ সোহেল রানা বলেন, কাজ তো হওয়ার কথা না। আমরা বিষয়টি দেখছি।
এ ব্যাপারে মহেশপুরে পৌরসভার প্রশাসক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ভবন নির্মাণের বিষয়ে এর আগে একটি শালিসী বৈঠক করা হয়েছিলো। সেই সিন্ধান্ত দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে। আর যেহেতু ভবন নির্মাণ নিয়ে অভিযোগ আছে তাই এখন ভবন নির্মাণ করতে পারবেন না। কাজ বন্ধের বিষয়টি আমি দেখছি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews