রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কেশবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ভাঙ্গায় আলোচনা সভা, ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান মণিরামপুরে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ যশোরস্থ সাতক্ষীরা কল্যাণ সমিতির নির্বাহী সদস্য মোজাফফার হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত যশোর হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ছয় বছরের পথচলায় মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত রাতদিন নিউজ, বর্ণাঢ্য আয়োজনে অর্ধযুগ পূর্তি উৎসব জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না: প্রতিমন্ত্রী অমিত

কেশবপুরে নির্বাহী কর্মকর্তার কথা বলে বিএনপির নেতার ৫০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কথা বলে উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বিকেলে কেশবপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে ওই অভিযোগ এনেছেন পৌসভার ৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মোড়লের আপন ভাই ব্যবসায়ী মো: তাসের আলী।
সংবাদ সম্মেলনে তাসের আলী লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন গত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরুতে হাজী জমশের খাঁন ওয়াকফ এস্টেটের যুগ্ম-অফিসিয়াল মোতাওয়াল্লী পৌরসভার মধ্যকুল মৌজার আসাদুজ্জামান খান, ইকরামুছ সালাম খান ও পারভেজ হাসান খানের নিকট থেকে অগ্রীম জামানত দিয়ে মাসিক ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যবসা করার লক্ষ্যে ট্রাক টার্মিনালে উত্তর পাশে ওয়াকফ এস্টেটের জমিতে ৫ বছর মেয়াদী চুক্তিতে সেমিপাকা ঘর নির্মাণ শুরু করি। এখানে ইটের গাঁথুনির কাজও শেষ করা হয়। কাজ শেষে প্রায় ২ মাস পর ইটের গাঁথুনীর উপর ছাউনীর কাজ আরম্ভ করলে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নোটিশের মাধ্যমে কাজ বন্ধ করে দেন। এরপর মধ্যকুল গ্রামের মৃত আব্দুল করিম খানের ছেলে উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো: ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু আমাকে ডেকে বলে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। মোতাওয়াল্লী সালাম ও আসলাম এখন কিছুই না। মোতাওয়াল্লী সালাম খান ওয়াকফ সম্পত্তির একটি গাছ না কাটার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আবেদন করেন। আমরা মসজিদ কমিটির লোক উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বলে সেই গাছ কাটার অনুমতি এনে দিয়েছি। আমি মসজিদের সেক্রেটারী ও আমার ভগ্নিপতি মোজাম্মেল খান সভাপতি। এখন থেকে ভাড়ার টাকা আমাদের নিকট দিতে হবে। এরপর থেকে আমি ঘরের কাজ সম্পন্ন করার জন্য ডাবলু খানের নিকট যোগাযোগ করি।
এক পর্যায়ে উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো: ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু কোরবানির ঈদের আগের শনিবার আমার কাছে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট থেকে কাজ করার অনুমতির ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। একই সঙ্গে ছাউনীর কাজ শুরু করার জন্যও বলে। আমি ডাবলু খানের কথামত কাজ শুরু করি। তার (ডাবলু খানের) দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় কাজে বাঁধাসহ আমার আপন ভাই কেশবপুর পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মোড়লের নাম জড়িয়ে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন খবর বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ করে তাদের সম্মানহানী করে চলেছে। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণসহ তদন্ত পূর্বক অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন মো: ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক হওয়ায় দল এবং প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন বিতর্কীত কর্মকান্ড করে যাচ্ছে। এতে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় বিএনপির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনের সময় তাসের আলী মোড়লের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার আপন দু’ভাই কেশবপুর পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মোড়লসহ এলাকাবাসী।

উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান ডবলু বলেন, টাকা চাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন, ওয়াকফ এস্টেটের জমিতের ঘর নির্মান করা যাবে না যে কারনে নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে টাকা চাওয়ার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews