বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

” ২০ বছরে কোটি টাকার মালিক উসহকারী প্রকৌশলী হায়দার আলী” পর্ব – ১

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে

মমিনুর রহমান: ২০০৬ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরের চাকরিতে ঢুকে ২০ বছরের ব্যবধানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হায়দার আলী (ই/এম) গণপূর্ত বিভাগ – ২, খুলনা প্রায় ১০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক। ২০০৯ সালে আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। শেখ পরিবার ও আ’লীগের নেতৃবৃন্দের সান্নিধ্য পেয়ে বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসাসহ বিভিন্ন অবৈধ উপায়ে কয়েকশো কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন গণপূর্তের ই/এম উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ডিপ্লোমা) মোঃ হায়দার আলী। অভিযোগ রয়েছে প্রকৌশলী হায়দার আলী বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমানোর জন্য আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আর্থিকভাবে সহায়তা করেছেন ।

আ’লীগ সরকার পতন হলে খোলস পাল্টান এই সুযোগ সন্ধানী ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। গত ১৭ বছরে গণপূর্ত বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদের নেতা পরিচয়ে অগাধ সুযোগ-সুবিধা বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি। অথচ সময়ের পরিবর্তনে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে বর্তমানে বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের সান্নিধ্যৈ বিভিন্ন অবৈধ অপকর্মের ধারা অব্যাহত রেখেছেন এই সুবিধাভোগী প্রকৌশলী হায়দার আলী। আ’লীগের ১৭ বছরে খুলনা, বরগুনা, ভোলাসহ কয়েকটি জেলায় গণপূর্তের কার্যালয়ে কর্মকালীন সময়ে ঠিকাদারদের সাথে গভীর সখ্যতা তৈরি হয়। সে সময়ে এপিপি’র কাজের ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের কাছ থেকে কাজ উঠনো বাবদ চুক্তিমূল্যের ৫৫% কোন ক্ষেত্রে ৬০% আবার বিশেষ ক্ষেত্রে ৬৫% অর্থ নগদ গ্রহণ করার তথ্য পাওয়া গেছে। গণপূর্তের বৈদ্যুতিক/যান্ত্রিক শাখায় কর্মরত থাকার সুবাদে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ঠিকাদারদের মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক বিষয়ে বহু অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন তিনি। এভাবে তিনি অবৈধ ইনকাম করেছেন বড় অংকের টাকা।
চাকরির প্রায় ২০ বছরের ক্যারিয়ারে বিভিন্ন খাত থেকে অর্জিত আয় বহির্ভূত অবৈধ অর্থ দিয়ে তিনি গড়েছেন নামে-বেনামে সহায়-সম্পদের পাহাড়।
ভাই অহিদকে দিয়ে গণপূর্তের বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ করান। ভাইয়ের নামে প্রকৃতপক্ষে তিনিই করেন। এছাড়া তিনি নিজে সরকারি চাকরি করায় ছোট ভাইদেরকে দিয়ে স্থানীয় রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ করান। সর্বকনিষ্ঠ ভাই অহিদকে খুলনা ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য বানান। বড় ভাই হায়দার আলীর সাথে বিএনপি’র রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সুসম্পর্ক থাকায় দলের নাম ভাঙ্গিয়ে ছোট ভাই অহিদ স্থানীয় সরকারি জমি দখল, টেন্ডারবাজি, অসামাজিক কর্মকান্ড চাঁদাবাজিসহ অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই অহিদ এর বিরুদ্ধে।অর্থ বিলাসী জীবন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সাথে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, নামে বেনামে অবৈধ সম্পদ, অর্থ কেলেঙ্কারি, বিভিন্ন হোটেলে যাতায়াত মদ্যপান, জুয়া ,নারীদের নিয়ে জলসা মজলিসের।

বিস্তারিত থাকবে ২য় পর্বে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews