বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

যশোর-নড়াইল মহাসড়কে বাসচাপায় নিহত ১ সড়ক অবরোধ ও স্পিডব্রেকারের আশ্বাস

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর-নড়াইল মহাসড়কের সদর উপজেলার বাউলিয়া এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় মো. হারেজ মোল্লা (৭০) নামে এক বৃদ্ধ সবজি বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। গত শুক্রবার (৭ মার্চ) রাতে রাস্তা পার হওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর প্রায় দেড় ঘণ্টা নিহতের মরদেহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকায় এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্লোগান মুখরিত ছিল ওই অঞ্চল জুড়ে।

নিহত হারেজ মোল্লা বাউলিয়া গ্রামের মৃত মতলেব মোল্লার ছেলে। তিনি পেশায় একজন ক্ষুদ্র সবজি বিক্রেতা ছিলেন।
দুর্ঘটনার বিবরণ ও স্থানীয়দের ক্ষোভ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাউলিয়া বাজার থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে বাড়ি ফিরছিলেন হারেজ মোল্লা। রাস্তা পার হওয়ার সময় পেছন দিক থেকে আসা ‘নড়াইল স্টার এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর প্রায় দেড় ঘণ্টা নিহতের মরদেহ রাস্তার পাশেই পড়ে ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি ও আশ্বাস
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন যশোর সদর উপজেলা বিএনপির সম্পাদক আনজুরুল হক খোকন। তিনি উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন এবং তাদের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন। এসময় তিনি মোবাইল ফোনে সরাসরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সাথে কথা বলেন এবং ওই এলাকায় দ্রুত গতিরোধক (স্পিডব্রেকার) স্থাপনের দাবি জানান। তিনি জনগণের সামনে আশ্বাস দেন যে, অচিরেই তাদের এই দাবি পূরণ করা হবে।
ঘটনাস্থলে আরও উপস্থিত ছিলেন ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবিউল এবং থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। নেতৃবৃন্দ নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং ঘাতক বাসটি শনাক্ত করে চালকের শাস্তির দাবি তোলেন।
এলাকাবাসীর দাবি

বাউলিয়া এলাকার বাসিন্দারা জানান, এই মহাসড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে এখানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অবিলম্বে স্পিডব্রেকার স্থাপন না করলে আরও বড় ধরনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এ সময় সড়কপথে নিরাপত্তা উপস্থিত ছিলেন সদর চাঁদপাড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সিরাজ উদ্দিন সিরাজ তিনি সাংবাদিকদের জানায়, জনগণের দাবির সাথে একমত পোষণ করে পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে এবং ঘাতক বাসটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews