রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কেশবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ভাঙ্গায় আলোচনা সভা, ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান মণিরামপুরে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ যশোরস্থ সাতক্ষীরা কল্যাণ সমিতির নির্বাহী সদস্য মোজাফফার হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত যশোর হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ছয় বছরের পথচলায় মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত রাতদিন নিউজ, বর্ণাঢ্য আয়োজনে অর্ধযুগ পূর্তি উৎসব জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না: প্রতিমন্ত্রী অমিত

সাতমাইল পশু হাটে ইজারা বাধাগ্রস্ত, কোটি টাকার রাজস্ব ঝুঁকিতে

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৯৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি :দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট যশোরের সাতমাইল পশু হাট ঘিরে ইজারা প্রক্রিয়ায় বাধা, ইজারাবিহীন পরিচালনা এবং লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আবারও সামনে এসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে—দীর্ঘদিন ধরে হাটটি কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে প্রভাবশালী একটি চক্র, আর সরকারি কোষাগারে জমা পড়ছে আয়ের সামান্য অংশ।

বাগআঁচড়ার সাতমাইল পশু হাটের ইজারার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলেও সাধারণ ব্যবসায়ীদের শিডিউল কিনতে দেওয়া হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশপাশে অবস্থান নিয়ে বহিরাগত ইজারাদারদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফলে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।কয়েকজন সম্ভাব্য ইজারাদার দাবি করেছেন, তারা শিডিউল সংগ্রহে আগ্রহী হলেও “পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায়” পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

অথচ পূর্ববর্তী বছরগুলোতে এই হাটের ইজারা ডাক ছিল কয়েক কোটি টাকা। সম্ভাব্য আয় বৃদ্ধির পরও দরপত্রে অনাগ্রহ এবং একই সঙ্গে শিডিউল বিক্রিতে বাধার অভিযোগ—দুটি বিষয় একসঙ্গে সামনে আসায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাটের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন এসেছে বলেও স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। তবে আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ করা হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে অস্পষ্টতা থাকায় পুরো বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত এবং উচ্চতর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—ইজারা ছাড়া কোটি টাকার একটি হাট কীভাবে দীর্ঘদিন পরিচালিত হয়, প্রকৃত আয় কত এবং সরকার ঠিক কত রাজস্ব হারিয়েছে? এই প্রশ্নগুলোর নিরপেক্ষ উত্তর মিলবে কি? নাকি সাতমাইল পশু হাট দখল-সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণেই থেকে যাবে—এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews