বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

কেশবপুরে মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে ‘চুনে শ্যাওলা’

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫০২ বার পড়া হয়েছে

আরশাদুল ইসলাম ঝন্টু স্টাপ রিপোটার কেশবপুর যশোরঃযশোরের কেশবপুরে মাছ চাষে সুষম খাদ্য হিসাবে প্রাকৃতিক শ্যাওলা ব্যবহার করে সফল হচ্ছেন ঘের মালিকরা। তারা বিল ও জলাশয় থেকে ‘পাটা শ্যাওলা, চুনে শ্যাওলা, চিকুন শ্যাওলা’ সংগ্রহ করে মাছকে খাদ্য হিসেবে দিচ্ছেন। এতে মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, সতেজ থাকছে এবং রোগবালাই থেকেও রক্ষা পাচ্ছে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক খাদ্যের খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুরে বর্তমানে ৪ হাজার ৬৫৮টি মাছের ঘের রয়েছে। ঘের মালিকরা জানান, শ্যাওলা ব্যবহারে মাছ প্রাকৃতিক স্বাদে বেড়ে ওঠে এবং পরিবেশেরও কোনো ক্ষতি হয় না। বরং বিল ও জলাশয়ের দেশি প্রজাতির জন্যও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।

সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন বিল এলাকায় দেখা যায়, সকাল থেকেই ঘের লোকজন পাটা নামে এক প্রকার চিকন শ্যাওলা সংগ্রহ করছেন। ভোগতী নরেন্দ্রপুরের বিল থেকে শ্যাওলা সংগ্রহ করছিলেন হাবাসপোল এলাকার ঘের ব্যবসায়ী আবদুর রহমান। তিনি বলেন, ঘেরের মাছ মোটাতাজাসহ রোগ-বালাই থেকে রক্ষা করতে শ্যাওলা খুবই উপকারী।

কপোতাক্ষ নদ থেকে থেকে শ্যাওলা সংগ্রহ করেন এিমোহীনি এলাকার মিজানুর রহমান ও আয়ুব আলী,বিনয় কাকা, তারা বলেন, ঘের মালিকরা মাছ চাষে বিলের শ্যাওলা ব্যবহার করায় তারা প্রতিদিন কাজ পাচ্ছেন। তাঁরা প্রতিদিন নদ থেকে এই চুনে শ্যাওলা সংগ্রহ করে আলমসাধু গাড়ি প্রতি ৯০০/১০৫০ টাকা থেকে হাজার টাকা পযন্ত ব্রিক্রয় করে থাকেন বলেও জানান।

ঘের ব্যবসায়ী শাহিন বলেন, শ্যাওলা মাছকে রোগমুক্ত রাখে এবং সুস্বাদু করে তোলে। অন্যদিকে স্থানীয় শ্রমজীবীরাও প্রতিদিন শ্যাওলা সংগ্রহের কাজে যুক্ত হয়ে উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস জানান, শ্যাওলা মাছের অত্যন্ত পুষ্টিকর খাদ্য। এ পদ্ধতি পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের আয়-রোজগার বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews