রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কেশবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ভাঙ্গায় আলোচনা সভা, ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান মণিরামপুরে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ যশোরস্থ সাতক্ষীরা কল্যাণ সমিতির নির্বাহী সদস্য মোজাফফার হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত যশোর হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ছয় বছরের পথচলায় মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত রাতদিন নিউজ, বর্ণাঢ্য আয়োজনে অর্ধযুগ পূর্তি উৎসব জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না: প্রতিমন্ত্রী অমিত

কেশবপুরে মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে ‘চুনে শ্যাওলা’

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৪৭ বার পড়া হয়েছে

আরশাদুল ইসলাম ঝন্টু স্টাপ রিপোটার কেশবপুর যশোরঃযশোরের কেশবপুরে মাছ চাষে সুষম খাদ্য হিসাবে প্রাকৃতিক শ্যাওলা ব্যবহার করে সফল হচ্ছেন ঘের মালিকরা। তারা বিল ও জলাশয় থেকে ‘পাটা শ্যাওলা, চুনে শ্যাওলা, চিকুন শ্যাওলা’ সংগ্রহ করে মাছকে খাদ্য হিসেবে দিচ্ছেন। এতে মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, সতেজ থাকছে এবং রোগবালাই থেকেও রক্ষা পাচ্ছে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক খাদ্যের খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুরে বর্তমানে ৪ হাজার ৬৫৮টি মাছের ঘের রয়েছে। ঘের মালিকরা জানান, শ্যাওলা ব্যবহারে মাছ প্রাকৃতিক স্বাদে বেড়ে ওঠে এবং পরিবেশেরও কোনো ক্ষতি হয় না। বরং বিল ও জলাশয়ের দেশি প্রজাতির জন্যও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।

সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন বিল এলাকায় দেখা যায়, সকাল থেকেই ঘের লোকজন পাটা নামে এক প্রকার চিকন শ্যাওলা সংগ্রহ করছেন। ভোগতী নরেন্দ্রপুরের বিল থেকে শ্যাওলা সংগ্রহ করছিলেন হাবাসপোল এলাকার ঘের ব্যবসায়ী আবদুর রহমান। তিনি বলেন, ঘেরের মাছ মোটাতাজাসহ রোগ-বালাই থেকে রক্ষা করতে শ্যাওলা খুবই উপকারী।

কপোতাক্ষ নদ থেকে থেকে শ্যাওলা সংগ্রহ করেন এিমোহীনি এলাকার মিজানুর রহমান ও আয়ুব আলী,বিনয় কাকা, তারা বলেন, ঘের মালিকরা মাছ চাষে বিলের শ্যাওলা ব্যবহার করায় তারা প্রতিদিন কাজ পাচ্ছেন। তাঁরা প্রতিদিন নদ থেকে এই চুনে শ্যাওলা সংগ্রহ করে আলমসাধু গাড়ি প্রতি ৯০০/১০৫০ টাকা থেকে হাজার টাকা পযন্ত ব্রিক্রয় করে থাকেন বলেও জানান।

ঘের ব্যবসায়ী শাহিন বলেন, শ্যাওলা মাছকে রোগমুক্ত রাখে এবং সুস্বাদু করে তোলে। অন্যদিকে স্থানীয় শ্রমজীবীরাও প্রতিদিন শ্যাওলা সংগ্রহের কাজে যুক্ত হয়ে উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস জানান, শ্যাওলা মাছের অত্যন্ত পুষ্টিকর খাদ্য। এ পদ্ধতি পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের আয়-রোজগার বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews