
নিজস্ব প্রতিবেদক মনিরামপুর : মণিরামপুর পৌরসভার প্রকৌশল শাখার নির্ধারিত ইস্টিমেটের নির্দেশনার বাইরে গিয়ে ড্রেনের ঢালাই কাজে সিমেন্টের ব্যবহার বাদেই শুধু খোয়া ও বালি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স রয়েল এন্টার প্রাইজের বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার (১৯শে আগষ্ট) কাজে অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গেলে স্থানীয়দের সামনে নিয়ম মেনে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছে পৌর প্রশাসক মোঃ সম্রাট হোসেন।
স্থানীয়দের দাবী যে, মণিরামপুর পৌরসভার প্রকৌশল শাখার অধীনে মেসার্স রয়েল এন্টারপ্রাইজ একটি প্রকল্পের ড্রেনেজ নির্মাণের কাজ পৌরসভার ১নং হাকোবা ওয়ার্ডের আল্লাহ ভরসার বাড়ির সামনে সিসি ঢালায়ে সিমেন্ট বাদেই খোয়া ও বালির হচ্ছে। তথ্য মোতাবেক স্থানীয় যুবকদের বিরুদ্ধে কাজ বন্ধের অভিযোগ তুলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রশাসককে অবগত করে। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন ও মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবু সাঈদ হাকোবা ওয়ার্ডে নির্মানাধীন ড্রেন পরিদর্শন করেন। সে সময় স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়েন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক আসাদুজ্জামান রয়েল। নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামালে উভয়কে স্থির করে নির্ধারিত ইস্টিমেট মেনে সঠিক পরিমানে কাঁচামাল ব্যবহার করতে নির্দেশ দিয়ে প্রস্থান করেন নির্বাহী কর্মকর্তা।
এ বেপারে মণিরামপুর পৌরসভার প্রকৌশল শাখার এক্সএন উত্তম মজুমদার জানান, প্রতি বস্তা সিমেন্টের সাথে যে পরিমান খোয়া ও বালি দেয়ার কথা রয়েছে তার চেয়ে বেশি পরিমানে খোয়া ও বালু দেওয়াতে সিমেন্ট কম দেখা যাচ্ছে। আমরা বলেছি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সঠিক মালামাল ব্যবহার করে কাজ শেষ করতে। তিনি আরো জানান, আমরা লক্ষ্য করেছি যেখানে রয়েল সাহেবের কাজ বেশিরভাগ কাজে এমন সব অভিযোগ উঠেছে । তবে এ বিষয়ে মুঠোফোন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক আসাদুজ্জামান রয়েলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দাবী করেন,সিসি ঢালায় তেমন কিছুই না। যে স্যাম্পল দেখানো হয়েছে সেটা ঐ ড্রেনের না। মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক সম্রাট হোসেন জানান, তদন্ত করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অসংগতি প্রমানিত হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয়দের দাবী,সরকারের পক্ষ হতে জনগনের কাজের জন্য যে পরিমান বরাদ্দ করবে সে কাজ সঠিক ভাবে করলে তো হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজে নিম্নমানের মালামাল দিয়ে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করে ভোগান্তিতে ফেলবে জনগনকে এটা মেনে নেওয়া হবেনা।