
নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরে মাদরাসার শিক্ষকক মাওলানা শামছুর রহমানকে ৫ জানুয়ারী রবিবার আনুমানিক রাত ৮ টার সময় নিজ সন্তানকে মাদ্রাসায় খাবার দিয়ে ফেরার সময় হাফেজ মাওলানা শামছুর রহমান সন্ত্রাসী গ্রুপ কতৃক অতর্কিত হামলার শিকার হয়।
মামলার আসামি ২ বছর ২ মাসের সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন কয়েকদিন পূর্বে জামিনে বেরিয়েই সে হামলার পরিকল্পনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট ও করেন।
এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী হাফেজ মাওলানা শামসুর রহমান কে হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী ৪০/৫০ এর ১টি গ্রুপ করে মব সৃষ্টি করে তাকে হামলা করে,এবং “শ্লোগান দিতে থাকে লীগ ধর,জেলে ভর”
কিন্তু মাওলানা শামসুর রহমান কে আওয়াম লাগী ট্যাগ দিয়ে মারধোর করলেও সে জীবনে কখনো আওয়ামিলীগ করেনি,সে শেখহাটি যশোর এর ১ টি হাফেজী মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন,পাশাপাশি হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন যশোর জেলার সেক্রেটারি হিসাবে দায়িত্বরত রয়েছেন।
রাজনৈতিকভাবে মাওলানা শামসুর রহমান খেলাফত মজলিস যশোর নগর কমিটির ১ জন সক্রিয় সদস্য,
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিস নগর কমিটির সভাপতি হাফেজ মাওলানা আবদুর রহমান এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,মাওলানা শামসুর রহমান কখনো আওয়ামিলীগ করেনি বরং অনেক আগে থেকেই সে খেলাফত মজলিসের ১ জন কর্মী ও নগর কমিটির সহকারী সেক্রেটারি এর দায়িত্ব পালন করছেন,সে নিয়মিত সাংগঠনিক কার্যক্রমগুলোতে অংশগ্রহণ ও আর্থিক সাহায্য করে থাকে।
তার উপর আওয়ামী লীগের ট্যাগ দিয়ে মব সৃষ্টি করে হত্যার উদ্দেশ্যে যে ন্যাক্কারজনক হামলা করা হয়েছে আমরা সাংগঠনিকভাবে এর তীব্র নিন্দা জানাই, এবং মব সৃষ্টি করে তার উপর সন্ত্রাসী হামলার উপযুক্ত বিচার চাই।
তিনি আরো বলেন আমরা এ ঘটনার খোজ নিয়ে যতটুকু জানতে পেরেছি,হাফেজ মাওলানা শামসুর রহমান ও সন্ত্রাসী শোয়াইব যশোর ইছালি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা, সেখানে ১ টি মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির হিসাব সংক্রান্ত ঝামেলায় ২০২০ সালে সন্ত্রাসী শোয়াইব ও তার পরিবারের কয়েক সদস্যদের বিরুদ্ধে গ্রামের দূর্নিতি বিরোধী সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে মামলা হয়, সে মামলার বাদী হন মাওলানা শামসুর রহমান,যেটি ১ টি পারিবারিক মামলা হিসাবে অদ্যাবধি চলমান রয়েছে
উক্ত মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী হিসাবে সন্ত্রাসী শোয়াইব কিছুদিন আগে গ্রেফতার হন,এবং কয়েকদিন পূর্বে জামিনে বের হয়ে তার সন্ত্রাসী গ্রুপ দিয়ে পরিকল্পিত মব সৃষ্টি করে মাওলানা শামসুর রহমান এর উপর রাতের আধারে হত্যার উদ্দেশ্যে ন্যাক্কারজনক হামলা করে,স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ এসে গুরুতর আহত অবস্থায় হাফেজ মাওলানা শামসুর রহমান কে দ্রুত উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন পুলিশ ।
পরে পুলিশের গাড়ীর পিছে পিছে ঐ সন্ত্রাসীরা কয়েকটি মটর সাইকেলে যোগে থানায় এসে থানার ভেতরে ও মব সৃষ্টি করে। পরে একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
হাফেজ মাওলানা শামসুর রহমান বর্তমানে জেল হাজতে বন্দী , বর্তমানে হাফেজ মাওলানা শামসুর রহমানের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে তিনি মনে করেন।