বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

নওয়াপাড়ায় চাঁদাদাবি ও মারপিটের মামলায় বিএনপির সাবেক নেতা জনি ও মিঠুকে শোন-অ্যারেস্ট

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে
যশোর অফিস : অভনগরের নওয়াপাড়ার একটি চঁাদাদাবি ও মারপিটের মামলায় বিএনপির সাবেক নেতা আসাদুজ্জামান জনি ও কামরুজ্জামান মিঠুকে শোন-অ্যারেস্ট করেছে আদালত। সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনজুমান আরা বেগম আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন। আসামি জনি গুয়াখোলা সুপারীপট্টি এলাকার কামরুজ্জামানের ছেলে ও মিঠু গুয়াখোলার মহিলা কলেজ রোড এলাকার মৃত জালাল উদ্দিন ওরফে মনিরুজ্জামানের ছেলে।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, নওয়াপাড়ার বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন সোহাগের সাথে আসামি আলমগীর হোসেনের সাথে যৌথ ব্যবসা করত। সোহাগ ২০২৪ সালে ব্যবসা গুটিয়ে প্রথমে ভিয়েতনাম ও পরে লাউসে চলে যায়। সোহাগের কাছে ৪২/৪৩ লাখ টাকা আলমগীর পাবে বলে থানায় একটি অভিযোগ দেয়। এ ঘটনায় থানা পুলিশ জাহাঙ্গীর হোসেনকে ১১ জুলাই হাজির থাকতে বলে।
৬ জুলাই সন্ধায় আসামি জনি, আলমগীরসহ অন্যরা জাহাঙ্গীর হোসেনকে তার কাপড়ের দোকান থেকে কৌশলে ডেকে একটি ডায়াগোনেস্টিক সেন্টারে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে আসামি ফঁাকা চেক ও স্টাস্পে স্বাক্ষর করানোর জন্য চাপ দেয়। রাজি না হওয়ায় আসামিরা তাকে মারপিট করে স্টাস্প ও চেকে স্বাক্ষর করে নেয়। এরপর তারা জাহাঙ্গীর হোসেনের জমি লিখে নেয়ার জন্য জমি কাগপত্র নিয়ে যায়। পরবর্তীতে জনির লোকজন ১০ লাখ টাকা দাবি করে জমি ও দেনার টাকা দিবে হবে না বলে। ৯ জুলাই রাতে জনি তার অফিসে ডেকে জাহাঙ্গীরকে তার বাড়ি আলমগীদের নামে লিখে দিতে বলে। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে হুমকি দিতে তাড়িয়ে দেয় জনি ও তার লোকজন। বিষয়টি জনির পিতাকে জানালে সে তার ছেলের দাবি মেনে নিতে বলে। আসমিদের অত্যাচার ও হুমকিতে জাহাঙ্গীর হোসেন নিরুপায় অভয়নগর থানায় জনি, মিঠুসহ ৬ জনের নামউল্লেখ করে অভয়নগ থানায় মামলা করেন।
এ মামলার আসামি জনি ও মিঠু অন্য একটি মামলা হয় কারাগারে থাকায় এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবু বক্কার সিদ্দিক ২৭ সেপ্টেম্বর আদালতে শোন-অ্যারেস্টের আবেদন করেন। গতকাল এ আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক আবেদন মঞ্জুর করে তাদের শোন-অ্যারেস্টের আদেশ দিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews