
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত চার কৃতী শিক্ষার্থীর সাফল্য
নিজস্ব প্রতিবেদক:এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬ এ জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে যশোরের চার শিক্ষার্থী।
ভাল মানুষ হতে চায় আতিফা মেহজাবিন:ভবিষ্যতে ভাল মানুষ হতে চায় এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া আতিফা মেহজাবিন। সে চলতি বছরে যশোর বোর্ডের অধিনে যশোর সরকারি এমএম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল।
যশোর উপশহরের ডি ব্লকের বাসিন্দা আতিফা মেহজাবিন দুই বোনের মধ্যে কনিষ্ঠ । তার বাবা আলী আহমেদ মিয়া এনজিও সংস্থা আশা’র পাবনার ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার। মা আরিফা আক্তার নিউটাউন বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক। বড় বোন আনিকা মেহজাবিন মেডিকেল শিক্ষার্থী।
ভাল ফলাফলের জন্য স্কুলের শিক্ষক, বাবা-মা, বড় বোন, গৃহ শিক্ষক, আত্মীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে আতিফা। সে সকলের দোয়া কামনা করেছে।
অর্থনীতিবিদ হতে চায় আনিকা: যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে আনিকা আনজুম। পিতা আব্দুল মালেক ও মাতা সুষ্মিতা আলেয়া। সে ২০২৪ সালে এসএসসিতেও জিপিএ-৫ পেয়েছিল। ভবিষ্যতে অর্থনীতিবিদ হয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে চায়। ভালো ফলের জন্য শিক্ষকমণ্ডলী ও মামী সহকারী অধ্যাপক মঞ্জুয়ারা সোনালির অবদানের কথা জানিয়েছে সে।
দেশের সেবা করতে চায় নাফিস: সরকারি এম এম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে মো. নাফিস হাসান আব্দুল্লাহ। পিতা সরকারি চাকরিজীবী ও কবি নাঈম নাজমুল এবং মাতা শিক্ষক পারুল খাতুন। ২০২৪ সালে এসএসসিতেও সে জিপিএ-৫ পেয়েছিল। উচ্চশিক্ষিত হয়ে দেশের সেবা করতে চায় নাফিস।
কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় টিনা: শার্শার আকিজ কলেজিয়েট স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে তৌহিদা আহম্মেদ টিনা। পিতা আহম্মদ আলী ও মাতা রেবেকা টপি উভয়েই শিক্ষক। এসএসসিতেও জিপিএ-৫ পেয়েছিল সে। ভবিষ্যতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় টিনা।
তিনজনই সকলের দোয়া প্রার্থী।