1. live@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন : যশোর বুলেটিন
  2. info@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদের ছুটিতে যশোরে চুরির শঙ্কা,পুলিশের জরুরি সতর্কতা জারি ডুমুরিয়ায় ‌সাংবাদিক সহ কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ যশোরে শ্যালিকার ধর্ষণ মামলা, সাংবাদিকদের দুষছেন চিকিৎসক দুলাভাই শার্শায় খায়রুজ্জামান মধু’র উদ্যোগে ১ হাজার পরিবারের মাঝে একটি করে গাছ ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশনের সৌজন্য ইফতার মাহফিল এতিম শিশুদের নতুন পোষাক ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য উপহার দিলো শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন যশোরে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ যশোরে কচুয়ায় “ঘোপ যুব সমাজের “উদ্দোগে ৫০০ মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরন যশোর জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন মসজিদের ফ্যান চালানো নিয়ে সংঘর্ষ, কেশবপুরে আহত ৮

নারী শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং, যবিপ্রবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সাথে ব্যাপক সংঘর্ষ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

যবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ ইমরান হোসেন: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং করাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৫:৫০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটস্থ আমবটতলা বাজার নামক স্থানে এ সংঘর্ষের শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা যায়, একজন নারী শিক্ষার্থী আটবটতলা বাজেরে এক দোকানে গেলে সেই দোকানদার তাকে উত্ত্যক্ত করে। এনিয়ে ঐ নারী শিক্ষার্থী তার সহপাঠীদের জানালে কয়েকজন শিক্ষার্থী সেই দোকানদারকে প্রশ্নের সম্মুখীন করে। এক পর্যায়ে দোকানদারকে মারধর করা হয়। এরপর আশেপাশের মানুষেরা শিক্ষার্থীদের ধরে মারধর করে। পরবর্তীতে এই ঘটনা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এরপর বিশ্বিবদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয়দের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের এক মেয়ে জুনিয়র জানায় যে মোবাইল ঠিক করতে গেলে মোবাইল দোকানদার তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে। এটা শোনার পর আমরা দোকানদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে, আশেপাশের স্থানীয়রা মিলে আমাদের উপর হামলা চালানো শুরু করে। আমাদের সমানে কিল ঘুষি দিতে থাকে। পরে আমরা কোনো রকম দৌড়ে পালিয়ে আসলে তারা পিছন থেকে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্ট্ররিয়াল বডি চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হন। পরবর্তী এ সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে। সংঘর্ষের তিন ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও কোন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্ট্ররিয়াল টিমের সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন। পরবর্তীতে রাত ৯ টার পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এরপর আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার সহ আরো অনেকে। এদিকে ঘটনার তিন ঘন্টা হয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত করতে না পারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ প্রক্ট্ররিয়াল বডির পদত্যাগের দাবিতে তদেরকে অবরুদ্ধ করে শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. মো: ওমর ফারুক বলেন, একটি ছাত্রীকে ইভটিজিং করাকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ ঘটে। আমাদের প্রক্টরিয়াল বডি সহ অনেকে শিক্ষক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেছি কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসতে দেরি করায় পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে যায়। সংঘর্ষে আমাদের বেশ কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এখন শিক্ষার্থীদের একাংশ ভিসি স্যারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভিসি, ট্রেজারার সহ শিক্ষকরা অবরুদ্ধ রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট