1. live@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন : যশোর বুলেটিন
  2. info@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মনিরামপুর প্রেসক্লাবে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যশোর-৫ মণিরামপুর আসনে প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হকের মণিরামপুরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ আগামীতে সরকার গঠন করে মেজর জিয়ার মতোই উলসি খাল খনন করা হবে – তারেক রহমান “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন তারেক রহমানের যশোর সমাবেশে তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা: পুলিশ সুপার ঢাকায় কারাতে কোচেস কোর্স পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় নাচে- গানে উৎসবমুখর ছিল অনুষ্ঠানটি যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক আনন্দ আয়োজন মিলন মেলায় পরিণত শার্শার গোগা ইউনিয়নে নুরুজ্জামান লিটন এর ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভায় জনসমুদ্রে পরিণত যশোর প্রেসক্লাবে জাসদ কেন্দ্র কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট অশোক কুমার রায়ের প্রয়ানে শোকসভা অনুষ্ঠিত যশোর-৩ অসনে বিএনপি প্রার্থীর উদ্যোগে ভোটার স্লিপ পৌঁছে দিতে ওয়েবসাইট ও অ্যাপ চালু

ডুমুরিয়ায় উপকারী জলজ প্রাণি শামুক হারিয়ে যাচ্ছে

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক ;শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা:খুলনার বিভিন্ন উপজেলার খাল-বিল ও জলাশয় থেকে বেপরোয়া আহরণ, জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার ও দ্রুত জলবায়ু পরিবর্তনে উপকারী জলজ প্রাণি শামুক হারিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই নির্বিচারে শামুক নিধনের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী শামুকের বংশ বিস্তার হুমকির মুখে পড়েছে।

এক সময় খাল-বিল ও জলাশয়ের পানিতে প্রচুর পরিমাণে শামুক দেখা গেলেও এখন আর তেমন একটা দেখা যায় না। শামুক জলজ পরিবেশে ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও তাদের ডিম খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। ফসলি জমির উর্বরতা বৃদ্ধিসহ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শামুকের ভূমিকা অপরিসীম।
খুলনা জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, শামুক সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পর্যাপ্ত উদ্যোগ ও নজরদারি প্রয়োজন। মানুষ অসচেতন ভাবে শামুক নির্বিচারে নিধন করছে। মৎস্য চাষিরা মাছের খাবার হিসেবে শামুক ব্যবহার করছেন। কিছু মানুষ খাল-বিল থেকে অবাধে শামুক সংগ্রহ করে তা মৎস্য চাষিদের কাছে বিক্রি করছেন।
ডুমুরিয়া উপজেলার এলাকার মৎস্য চাষি আব্দুল হালিম বলেন, আমরা ৩০ টাকা কেজি দরে শামুক কিনে মাছকে খাওয়ায়। শামুক যে জীবাণু থাকে, সেই জীবাণু যে মাছে যায়, এটা আমার জানা ছিল না। এ বিষয়ে মৎস্য অফিস থেকে এখন আমাদের সচেতন করা হচ্ছে।
আরেক মৎস্য চাষি মনোজ্ঞ কুমার জানান, মৎস্য অফিস আমাদের সচেতন করছে এবং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এখন আমরা আর শামুক ব্যবহার করি না।
নুমিতা নামে এক নারী জানান, বর্ষার মৌসুমে প্রতিদিন সকালে বিল থেকে আমাদের এলাকার অনেক নারী-পুরুষ শামুক সংগ্রহ করেন। এই শামুক তারা মৎস্য চাষিদের কাছে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন। এতে তাদের প্রতিদিন ৪০০-৫০০ টাকা আয় হয়।
ডুমুরিয়া উপজেলার এক দিনমজুর বলেন, সংসার চালানোর জন্য তিনি খাল-বিল থেকে শামুক সংগ্রহ করে মৎস্য চাষিদের কাছে বিক্রি করে থাকেন। এতে তার প্রতিদিন ৫০০ টাকার মত আয় হয়ে থাকে।

ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, মাছের খাদ্য হিসেবে শামুকের ব্যবহার আমরা নিরুৎসাহিত করে থাকি। কারণ কাঁচা শামুক খাওয়ানোর ফলে মাছের শরীরে রোগ জীবাণু এবং ঘেরে গ্যাসের সৃষ্টি হয়ে পানির গুণাগুণ নষ্ট হয়। পরবর্তীতে ঐ মাছ বিদেশে রপ্তানি করতে সমস্যা হয়। শামুক মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। খাল-বিলে বেশি পরিমাণ শামুকের বিচরণ থাকার কারণে পানি ও মাটির উর্বরতা বাড়ে এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। শামুক মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার না করার জন্য ঘের মালিকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু শামুক বন আইনের অধীনে থাকায় এখানে মৎস্য বিভাগ শুধু সচেতনতামূলক কাজ করতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট