1. live@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন : যশোর বুলেটিন
  2. info@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদের ছুটিতে যশোরে চুরির শঙ্কা,পুলিশের জরুরি সতর্কতা জারি ডুমুরিয়ায় ‌সাংবাদিক সহ কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ যশোরে শ্যালিকার ধর্ষণ মামলা, সাংবাদিকদের দুষছেন চিকিৎসক দুলাভাই শার্শায় খায়রুজ্জামান মধু’র উদ্যোগে ১ হাজার পরিবারের মাঝে একটি করে গাছ ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশনের সৌজন্য ইফতার মাহফিল এতিম শিশুদের নতুন পোষাক ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য উপহার দিলো শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন যশোরে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ যশোরে কচুয়ায় “ঘোপ যুব সমাজের “উদ্দোগে ৫০০ মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরন যশোর জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন মসজিদের ফ্যান চালানো নিয়ে সংঘর্ষ, কেশবপুরে আহত ৮

চালকের গাফিলতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বাস থেকে পড়ে যবিপ্রবি শিক্ষার্থী আহত

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের রাদিয়া রাশিদ শায়লা নামের এক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নামার সময় বাস চালক হঠাৎ গতি বাড়িয়ে দেয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রজনীগন্ধা’ নামের বাস থেকে নামার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জানান, ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী বাস থেকে নামছিলেন। প্রথমে দুইজন নামার পরপরই আরেক ছাত্রী নামতে গেলে চালক হঠাৎ বাসটি ফুল স্পিডে চালু করেন। এতে ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নিচে পড়ে যান।
এসময় শিক্ষার্থীর চশমা ভেঙে যায় এবং কপালে কেটে রক্তক্ষরণ হয়। পাশাপাশি রাস্তায় পড়ে গিয়ে তার হাত-পায়ে মারাত্মক ব্যথা হয় এবং দাঁতে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে ৬ মাস ধরে ওষুধ চলিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

ভুক্তভোগী রাদিয়া রাশিদ শায়লা বলেন, বিনোদিয়া পার্কে নামার সময় বাসের গতি ধীর হলে আমার বন্ধুরা সামনের গেট দিয়ে নামে। কিন্তু আমি পেছনের গেটের কাছে থাকার কারণে ঐ গেট দিয়েই নামার চেষ্টা করি। কিন্তু নামার সময় বাস চালক হঠাৎ বাসের গতি বাড়িয়ে দেন। এতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে পড়ে যাই। আমার দাঁত, কপাল এবং হাতে আঘাত লাগে। সবচেয়ে গুরুতর আঘাত দাঁতে। নামার সময় বাস চালকের উচিত সম্পূর্ণভাবে বাস থামানো। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য চলন্ত বাস থেকে নামা কঠিন।

এ ঘটনায় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, দুর্ঘটনার জন্য চালকের গাফিলতিই মূল দায়। সবচেয়ে হতাশার বিষয় হলো ছাত্রীটি রাস্তায় পড়ে গেলেও বাসটি থামিয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দেওয়ার বাইরে কেউ নেমে খোঁজ নেননি। আশপাশের লোকজনও সাহায্যে এগোেননি।

পরিবহন প্রশাসক ড. মো. শিমুল ইসলাম বলেন, আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পারি। আমি বাস চালকদের সাথে এ বিষয়ে একটি মিটিং করেছি। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতি দ্রুত একটি নোটিশ জারি করা হবে, যাতে ড্রাইভার ও শিক্ষার্থীদের জন্য বাসে ওঠা-নামা ও চলাফেরার নির্দেশনা থাকবে। প্রত্যেক গাড়িতেই নোটিশ লাগানো হবে। আশা করি, এগুলো অনুসরণ করলে দুর্ঘটনা কমে যাবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট