মালিকুজ্জামান কাকা:যশোর সদর উপজেলার বলরামপুরের একজন ইট ভাটা মালিককে সঙ্গীসহ হত্যার অপচেষ্টা চালিয়েছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। বহুদূর পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশি অস্ত্রসহ তাড়িয়ে নিয়ে যায়। ঐ ভাটা মালিকের নাম ফেরদাউস আলম। তিনি খোরশেদ আলম বিশ্বাসের ছেলে। জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে এ বিষয়ে তিনি একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। নম্বর ১৬৯৮, তারিখ ১৯/১০/২০২৬। প্রাণে বেঁচে যাওয়া তার সঙ্গী একই গ্রাম ৯নং ওয়ার্ডের হায়দার মোল্লার ছেলে একলাছ উদ্দীন (৪৯)।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ১৮ অক্টোবর রবিবার বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে সদরের ১৪নং নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের রূপদিয়া বলরামপুরের নিজ বাসা থেকে ঢাকুরিয়া সড়কে ভ্যাসপায় ফেরদাউস আলম ও একলাছ উদ্দীন যাচ্ছিলেন। নিজের নিউ সোনা ভাটার সামনে পৌঁছালে মনি বিশ্বাসের ছেলে আব্দুল হালিম, হালিমের ভাই উসমানসহ প্রায় জনা ১৫ জনের একটি সন্ত্রাসীচক্র তাদের তাড়া করেন। এসময় ছুরি গাছি দা দিয়ে কোপাতে উদ্যোত হয়। একলাছ দ্রুত ভ্যাস্পা টান দিলে কোপ মিস হয়। এরপর কালো রঙের পিস্তল, গাছি দা, ছুরি হাতে নিয়ে মোটরসাইকেলে বহুদূর পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে যায়। হত্যা করতে ব্যার্থ হয়ে মোবাইলে হুমকি দিচ্ছে সন্ত্রাসীরা।অভিযুক্ত আব্দুল হালিম নরেন্দ্রপুর চৌগাটার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানায়, কিছুদিন আগে এই হালিম গং নিউ সোনা ইট ভাটাটি জবর দখল করেছে। সেখানে সন্ত্রাসীরা নিয়মিত অবস্থান করছে। তাদের সাথে খুলনা ফুলতলা ও অভয়নগর নওয়াপাড়ার নিষিদ্ধ সর্বহারা গ্রূপের মোস্ট ওয়ান্টেড কয়েকজন সন্ত্রাসী রয়েছে।
এলাকায় এই হালিম বিএনপি রাজনীতি করে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে যশোর শহরে ইউরোপেনশন ও আল আমিন আবাসিক হোটেলে নারী কারবারের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। শহরে ২০২৪ সালের আগ পর্যন্ত আওয়ামীলীগার হিসাবে পরিচিত ছিল। তার বিরুদ্ধে গুরুতর নানা অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে নিউ সোনা ইট ভাটা মালিক ও তার সঙ্গী একলাছ উদ্দীন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন। এ বিষয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।