বিশেষ প্রতিবেদক: যশোর সদর উপজেলার হাশিমপুর বাজারে পূর্ববিরোধের জের ধরে দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও একটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শফিকুল ইসলাম (৫৭) যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।
অভিযোগে শফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে হাশিমপুর বাজারে তাঁদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তাঁর ছোট ভাই তুহিন বাবুর সঙ্গে আওয়াল হোসেনের পূর্বের লেনদেন নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে উপস্থিত লোকজন বিষয়টি মীমাংসা করে উভয় পক্ষকে শান্ত করেন।
অভিযোগকারীর দাবি, ওই ঘটনার জের ধরে পরে একরামুল হোসেন, আওয়াল হোসেন ও সাকিলসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জন ব্যক্তি দেশীয় ধারালো অস্ত্র,লোহার পাইপসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মেসার্স নাজির বিশ্বাস স্টোর ও মেসার্স সোনা ভ্যান স্টোরে হামলা চালান। এ সময় দোকানে প্রবেশ করে মালামাল,আসবাবপত্র, দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
পরে হামলাকারীরা তাঁদের বসতবাড়িতে ঢুকেও ভাঙচুর চালায় এবং ধারালো অস্ত্র ও লোহার পাইপ দিয়ে হামলার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন শফিকুল ইসলাম। এতে পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হন বলেও তিনি দাবি করেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় তাঁদের বাইরে বের হলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এতে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। অভিযোগকারী শফিকুল ইসলাম আরো বলেছেন, অভিযুক্ত শাকিল আহমেদ একজন মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী। কিছুদিন আগে মাদকসহ যশোর ডিবি পুলিশ তাকে আটক করেন এবং তিনি জেল হাজত খাটেন। পরে জামিন পেয়ে তিনি আবারো এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ঘটনার বিষয়ে আশরাফুল ইসলাম ও হারুনর রশিদসহ স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী করা হয়েছে। অভিযোগকারী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে বিষয়টি তদন্ত করছেন ইছালী ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই জীবন কুমার। তিনি বলেন এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।