নিজস্ব প্রতিবেদক:সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তারের পর আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে ভিকটিম (ছদ্মনাম রুবিনা, ১৪) গরুর জন্য ঘাস কাটতে মাঠে যায়। এসময় পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামি মোঃ জিয়ারুল ইসলাম (৩৫) তাকে বিভিন্ন খাবারের লোভ দেখিয়ে পাশের বরই বাগানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভিকটিমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামি দৌড়ে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বড় ভাই অজিয়ার রহমান বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২০, তারিখ-২৮/০৯/২০২৬, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১)।
মামলাটি পিবিআই এর তফসিলভুক্ত হওয়ায় পিবিআই সাতক্ষীরা তদন্তভার গ্রহণ করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) অনিমেশ কুমার মন্ডলকে নিয়োগ করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানাধীন শ্রীরামকাঠী গ্রাম থেকে আসামি মোঃ জিয়ারুল ইসলাম, পিতা মৃত মেছের আলী, সাং খলসী উত্তরপাড়া, থানা কলারোয়া, জেলা সাতক্ষীরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।
আজ ২৯ সেপ্টেম্বর আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, আসামি ভিকটিমের দূর সম্পর্কের আত্মীয় এবং তাদের বাড়ি পাশাপাশি। তারা একই মাঠে ঘাস কাটতে যেত। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে ঘটনার দিন কৌশলে তাকে বাগানে নিয়ে এ ঘটনা ঘটায়।
মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।