নড়াইল প্রতিনিধি : উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে ৬টি মেহগনি গাছ কর্তন করে জোর পূর্বক জমি জবর দখলের চেষ্টা করেন একই গ্রামের সুভাষ চন্দ্র দাস। উজ্জ্বল রায়,নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
মামলার বাদী বিবেকানন্দ দাস জানান, ৯৬ নং কচুবাড়িয়া মৌজার এসএ ৫১৪, ৫৪৩ ও ৫৬১ নং খতিয়ানে পৈর্তৃক ওয়ারিশ সূত্রে এসএ দাগ নং ৭৩,৭৪,৭৫ ও ৭৮। হাল দাগ ২২১,২২৩ ও ২২৪ জমিতে প্রায় ১০০ বছরের অধিক সময় যাবত বাড়ি ও বাগানসহ ৩১ শতাংশ জমি ভোগ দখল ও আরএস রেকর্ড ৩৩১ ও ৩০৬ নিজ নামে খতিয়ানভূক্ত হয়। আরএস ২৬২ খতিয়ানে ২৩ শতাংশ জমি বাদীর আমানতকৃত।
বিবাদী সুভাষ চন্দ্র দাস জমি পাওয়ার অজুহাতে প্রায় ১৮ বছর ধরে স্থানীয় অসৎ লোকজন দিয়ে নানা ভাবে হয়রানী ও অত্যাচার করে আসছে। তাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে বিগত ২০০৯ সালে নড়াইলের বিজ্ঞ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং ৯৪/০৯। ওই মামলার আলোকে ফৌজদারী কার্যবিধিতে বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বিরোধীয় ভূমিতে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। মামলাটি আদালতে চলমান রয়েছে। আদালতের ওই নির্দেশকে অমান্য করে সুভাষ চন্দ্র দাস শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ৬টি মেহগনি গাছ কর্তন করেন। মামলার বাদী বাধাঁ দিতে গেলে মারধর করতে আসেন। পরে স্থানীয় গনমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছালে গাছ কাটা বন্ধন করে স্থাচ্চন ত্যাগ করেন।
এব্যাপারে সুভাষ চন্দ্র দাস মামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে কিনা তিনি জানেন না।