'অস্ত্রের মুখে জোর করে মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়েছিল'—রফিকুল ইসলামের দাবি
শাহাবুদ্দিন আহামেদ, বেনাপোল প্রতিনিধি:বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (৯২৫)-এর সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো বিভিন্ন বক্তব্যকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম।
শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৪টায় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (৯২৫)-এর হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ দিন আগে ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আসাদুল ইসলাম গভীর রাতে একদল লোক নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে বাড়ির পাশের একটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বর্তমান সভাপতি তবিবুর রহমান তবি ও সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বন্দরে চুরির অভিযোগ এনে মোবাইল ফোনে ভিডিও বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়।
তিনি দাবি করেন, জীবন রক্ষার স্বার্থে তিনি তখন তাদের কথামতো মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য হন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সহিদ আলী দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে চুরি-প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন এবং কোনো শ্রমিক চুরির সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী বলেন, কিছুদিন ধরে ফেসবুকের বিভিন্ন ভুয়া আইডি থেকে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে তিনি বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে বন্দরে চুরি রোধে কাজ করে যাচ্ছেন। শ্রমিকদের নিয়মিত সতর্ক করা হয় যাতে পণ্য লোড-আনলোডের সময় কোনো ধরনের অনিয়ম বা চুরি না ঘটে। কেউ অপরাধে জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মজিদ ও মোঃ জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী ডাক্তার, শ্রমিক নেতা আবুল কাশেম, প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ মো. সবুজ হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য সহ ৯২৫ এর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।