শাহাবুদ্দিন আহামেদ বেনাপোল,শার্শা প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার মাটিপুকুরিয়া গ্রামে সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ডাকাতি হিসেবে প্রচার করা হলেও অভিযুক্ত রবি হোসেনের পরিবারের দাবি, এটি মূলত পূর্ব বিরোধ ও পাওনা টাকা নিয়ে সৃষ্ট সংঘর্ষের ঘটনা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার মাটিপুকুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, পুকুর খননকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে রবি হোসেনসহ আরও কয়েকজন ইয়াকুব আলীর বাড়িতে যান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ইয়াকুব আলী অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা তার বাড়িতে প্রবেশ করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। পরে তিনি থানায় ডাকাতির অভিযোগ দায়ের করেন।
তবে অভিযুক্ত রবি হোসেনের পরিবারের দাবি, ইয়াকুব আলীর কাছে রবি প্রায় দুই লাখ টাকা পাওনা ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে টাকা পরিশোধ না করায় ক্ষোভের জেরে রবি ওই দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে যান। এ ঘটনাটিকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে “দুর্ধর্ষ ডাকাতি” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
স্থানীয়রা জানান, রবি হোসেনের খনন করা পুকুরের গভীরতা নিয়ে ইয়াকুব আলীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডাও হয়েছে।
ঘটনার পর শার্শা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেনাপোল এলাকা থেকে রবি হোসেনকে আটক করে। এ সময় ইয়াকুব আলীর দাবি করা দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে যশোর “ক” নাভারন সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।