মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ চলতি মাসের ২ তারিখে দৈনিক যশোর বার্তা সহ কয়েকটি স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় মণিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারি সুপার আবু জাফর,নৈশ প্রহরী খলিলুর রহমান ও দারোয়ান আশরাফ আলীর বিরুদ্ধে গভীর রাতে
অত্র প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের না জানিয়ে পুকুর হতে মাছ চুরি করে বিক্রির অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে ঐ প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য অভিযোগ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দলীয় জৈনক এক ব্যাক্তিকে ঢাকুরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন পুকুরটি সকলের উপস্থিতে নিয়ম মেনে ডিট সহকারে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকায় ইজারা দিলে বায়না বাবদ তাৎক্ষণিক ১০ হাজার টাকা প্রতিষ্ঠানের তহবিলে জমা দেন। দেশের পট পরিবর্তনে ঐ ইজারাদার দীর্ঘদিন খবরা খবর না নেওয়ার সুযোগে গত মাসের শেষের দিকে ম্যানেজিং কমিটির অন্য সদস্যদের না জানিয়ে নিয়মনীতির সম্পূর্ণ বাইরে সিদ্ধান্ত নিয়ে মধ্য রাতে চুরি নামক সমাজ ও আইনের দৃষ্টিকটু জঘন্য অপরাধের শামিল এ কার্যকলাপে লিপ্ত হয় উল্লেখিত শিক্ষকমন্ডলী।
অবশ্য সে সময় ঐ মাদ্রাসার সুপার নূর মোহাম্মদ জানিয়ে ছিলেন যে, বিগত ডিটের ব্যাক্তি নির্ধারিত মূল্য দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রতিষ্ঠানে একটি অন্ত বর্তী ডিট হয় সে মোতাবেক ভোরবেলা হয়তো মাছ ধরেছে। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের পর হতে ঐ প্রতিষ্ঠানের কমিটির অন্য সদস্য ও স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে সঠিক কোন জবাব না দিতে পারায় স্থানীয়দের কাছে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ায় দিগবিদিক জ্ঞান শূন্য হয়ে রিতীমতো মূর্খের ন্যায় কাজ করে চলেছেন মাদ্রাসার সুপার শিক্ষক নূর মোহাম্মদ। কয়েকটি ফেইসবুক আইডিতে তারই দেওয়া বক্তব্য ও লেখাতে উল্লেখ করেন যে,প্রতিষ্ঠানের সম্মান ক্ষুন্ন করতে সাংবাদিক মিথ্যা,ভুলভাল ও উদ্দেশ্য প্রবন সংবাদ প্রকাশ করেছে আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলাকালে পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটিয়ে কয়েকজন শিক্ষককে সাথে নিয়ে দৈনিক যশোর বার্তার মণিরামপুর প্রতিনিধি এস এম তাজাম্মুলের বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গেলে বিষয়টি অযৌক্তিক বলে আমলে নেইনি মণিরামপুর থানা পুলিশ।
থানায় অভিযোগের বিষয়টি জানতে পুনরায় ঢাকুরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার শিক্ষক নূর মোহাম্মদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে, তিনি থানায় কোন অভিযোগ করতে যায়নি বলে জানালে চলতি এ প্রতিবেদক অভিযোগ সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করলে মাদ্রাসা সুপার শিক্ষক নূর মোহাম্মদ নিশ্চুপ থেকে ফোনকল কেটে দেন।